চিরজীবী হোক আওয়ামীলীগ

৭১ বছরে আওয়ামী লীগ….

মুসলিম লীগকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে বাঙালি জাতীয়তাবাদের মশাল নিয়ে দলটির যাত্রা শুরু…

জন্মলগ্ন থেকে এই দলকে খন্ড – বিখন্ড করার চেষ্টা কম হয়নি।

১৯৫৮ সালে মাওলানা ভাসানী আইয়ুব খানের প্ররোচনায় আওয়ামী লীগ ভেঙে ন্যাপ গঠন করেন , কিন্তু সে প্রচেষ্টা ও সফল হয়নি,ন্যাপ সর্বদা গণবিচ্ছিন্ন দল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যা
পর ৭৭-৭৮ সালে জিয়ার প্ররোচনায় ও অর্থে মিজান চৌধুরী “মিজান আওয়ামী লীগ” প্রতিষ্ঠা করে আওয়ামী লীগের মধ্যে ভাঙ্গন ধরতে চেষ্টা করে,কিন্তু সে যাত্রায় সাজেদা চৌধুরী, জোহরা তাজ, আবদুর রাজ্জাকের প্রচেষ্টায় আওয়ামী লীগের ভাঙ্গন রোধ করেন। মিজান আওয়ামী লীগ ও টিকেনি।

২০০৭-৮ সালে আবারো আওয়ামী লীগ ভাঙার চেষ্টা করা হয় কয়েকটি সেনাবাহিনী ও গুটিকয়েক মহলের প্ররোচনায়,কিন্তু সে যাত্রাও ব্যর্থ আব্দুর রাজ্জাক, জিল্লুর রহমান, মতিয়া চৌধুরী, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। সংস্কারপন্থীরা সে যাত্রায় ও আওয়ামী লীগকে খন্ড বিখন্ড করার প্রচেষ্টায় সফল হতে পারেনি।

আরো কত প্রলয় – মহাপ্রলয় গেল আওয়ামী লীগের উপর দিয়ে।এত বার ভাঙার কিংবা ধ্বংস করা চেষ্টা সত্ত্বেও একটি দল সগর্বে টিকে আছে, অবিশ্বাস্য? দিনশেষে স্রষ্টা ন্যায় বিচারক, যাকে উপর ওয়ালা বাঁচিয়ে রাখেন কেউ মারতে পারেনা।

আওয়ামীলীগ টিকে আছে, টিকে থাকবে। ভুলভ্রান্তি শুধরে ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা’ গড়ে উঠবে
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই।

শুভ জন্মদিন জন্মদিন অনুভূতি
যা জননেতা সৈয়দ আশরাফের ভাষায়
“আওয়ামী লীগ শুধু রাজনৈতিক দল নয় এটি একটি অনুভূতির নাম”।