বাংলাদেশের নামকরণ,৫ ডিসেম্বর,১৯৭১

১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর বাঙালি তথা বাংলাদেশের জাতির জনক বাংলাদেশের নামকরণ করেন সোহরাওয়ার্দীর কবর জিয়ারত করতে এসে।তখন ১৯৬৯ সাল, শুরু হয় পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খান বিরোধী আন্দোলন। পূর্ব বাংলা তখন বিক্ষোভে উত্তাল। এই অঞ্চলের জনগণ ততদিনে বুঝে গেছে স্বাধীনতা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

সোহরাওয়ার্দীর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর মাজার প্রাঙ্গণে এক আলোচনাসভার আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। সভায় বঙ্গবন্ধু এই অঞ্চলটির নাম করেন ‘বাংলাদেশ’।

বঙ্গবন্ধু আলোচনা সভায় সদর্পে ঘোষণা দেন

একসময় এ দেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে ‘বাংলা’ কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে…একমাত্র ‘বঙ্গোপসাগর’ ছাড়া আর কোনো কিছুর নামের সঙ্গে ‘বাংলা’ কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই…আর পূর্ব পাকিস্তান নয়, আর পূর্ব বাংলা নয়। শেরেবাংলা ও শহীদ সোহরাওয়ার্দীর এই মাজারের পাশে দাঁড়িয়ে জনগণের পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করিতেছি, আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম ‘পূর্ব পাকিস্তান’-এর পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘বাংলাদেশ’

সূত্র : এম এ ওয়াজেদ মিয়া- ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ’

বঙ্গবন্ধুর পুরো ভাষণ পড়তে ও জানতে ঘুরে আসুন সংগ্রামের নোটবুক

দেখুন কীভাবে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করেন।